অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাসায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া


বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। (ফাইল ছবি)

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বেশকিছু মেডিকেল পরীক্ষা শেষে বুধবার বাসায় ফিরেছেন। তিনি তিনদিন হাসপাতালে ছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান ভয়েস অফ আমেরিকাকে নিশ্চিত করেছেন, খালেদা জিয়া বুধবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাতটায় বাসায় ফিরেছেন।

চিকিৎসকেরা কী বলেছেন জানতে চাইলে শায়রুল কবির বলেন, "মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছে ম্যাডামের অবস্থা একটু বেটার। পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর ওষুধ পরিবর্তন করে দিয়েছে।" হাসপাতালে আবার যেতে হবে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলে, "এবিষয়ে চিকিৎসকেরা কিছু বলেননি।"

এর আগে, রবিবার রাতে খালেদা জিয়াকে আরও কিছু মেডিকেল পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ২২ আগস্ট করোনারি এনজিওপ্লাস্টির পর ফলোআপ হিসেবে খালেদা জিয়ার ইকো, ইসিজি, ইউএসজি, এক্স-রে এবং রক্ত পরীক্ষা করানো হয়।

ওইসব পরীক্ষার রিপোর্ট পর্যালোচনা করে বিএনপি চেয়ারপার্সনকে আরও কিছু পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তির সুপারিশ করে মেডিকেল বোর্ড।

৭৭ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।

এর আগে ১০ জুন বিএনপি চেয়ারপার্সনের বাম ধমনীতে ৯৫ শতাংশ ব্লকের কারণে তিনি হার্ট অ্যাটাক করেন। ব্লক সরিয়ে সেখানে একটি স্টেন্ট (রিং) বসানো হয়।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় নিম্ন আদালত পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিলে তাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। পরে একই বছর আরেকটি দুর্নীতির মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

করোনার কারণে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকার খালেদা জিয়াকে তার গুলশানের বাড়িতে থাকার এবং দেশ না ছাড়ার শর্তে সাজা স্থগিত করে একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সাময়িকভাবে কারাগার থেকে মুক্তি দেয়।

২০২১ সালের এপ্রিলে করোনায় এ আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে বিএনপি প্রধানকে ছয়বার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

খালেদা জিয়ার পরিবার তার একাধিক স্বাস্থ্য জটিলতার চিকিৎসার জন্য বিদেশে একটি উন্নত হাসপাতালে পাঠানোর অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে একাধিক আবেদন জমা দিয়েছিল, তবে দুটি মামলায় আদালতে দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় সরকার প্রতিবারই তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

XS
SM
MD
LG