অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

জনগণ কোনো একতরফা নির্বাচন করতে দেবে না: জনসভায় মির্জা ফখরুল


জনগণ কোনো একতরফা নির্বাচন করতে দেবে না: জনসভায় মির্জা ফখরুল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন যে তার দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মতোই 'মিথ্যা' মামলায় তাদের দলের সিনিয়র নেতাদের কারাগারে রেখে, আগামী নির্বাচনের সকল বাধা অতিক্রম করার অপচেষ্টা করছে সরকার।শনিবার (২৬ নভেম্বর) কুমিল্লা টাউন হল মাঠে এক জনসভায় বিএনপি মহাসচিব এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “ এবার জনগণ কোনো একতরফা নির্বাচন করতে দেবে না।”
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “যতদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগ করবেন না, ততদিন বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।”
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, “এই শাসন কিছুই অক্ষত রাখে নি। আমরা এখন বিচার পাচ্ছি না। তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক মামলা দায়ের করে আমাদেরকে দোষী সাব্যস্ত করছে। আমাদের সকল সিনিয়র নেতার নামে ১০ থেকে ৬০টি মামলা রয়েছে।”
মির্জা ফখরুল বলেন, “সরকার এখন বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘মিথ্যা’ মামলার বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার চেষ্টা করছে। এর মানে এই যে, আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে যেভাবে কারাগারে বন্দি করা হয়েছিল, সেভাবে তারা (সরকার) আন্দোলনের নেতৃত্ব দানকারীদের কারাগারে নিক্ষেপ করে সহজেই নির্বাচনের বাধা অতিক্রম করতে চায়।” তিনি বলেন, “জনগণ এবার সরকারকে আর কোনো একতরফা জাতীয় নির্বাচন করতে দেবে না।”
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “রাষ্ট্রীয় সব সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে এবং রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে, বৃহস্পতিবার যশোরে জনসভা করেছেন শেখ হাসিনা। সেই জনসভায়, তিনি (তার অধীনে) আবার নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন এবং নৌকা (আ.লীগের) নির্বাচনী প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।” তিনি বলেন, “সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার আগে মর্যাদার সঙ্গে ক্ষমতা ছেড়ে দিন, কারণ মানুষ এখন চায় আপনি চলে যান।”

“রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমতাসীনদের ব্যর্থতায় দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। মানুষ এখন আওয়ামী লীগের হাত থেকে মুক্তি চায়। সেজন্য আমরা এই শাসনকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য আন্দোলন করছি;” বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

XS
SM
MD
LG