অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বরগুনার এমপির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট


বাংলাদেশের হাইকোর্ট।

বাংলাদেশের বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) প্রকল্পে বরাদ্দ করা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের তদন্ত চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকে করা স্থানীয় এক বাসিন্দার আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৯ জানুয়ারি) পাথরঘাটা উপজেলার বাসিন্দা সুলতান আহম্মেদের করা রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

রুলে পাথরঘাটা, বেতাগী, বামনা এলাকার টিআর কাবিখা প্রজেক্টের বরাদ্দকৃত অর্থ লোপাটের অভিযোগে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শওকত হাসানুর রহমান রিমন, বরগুনার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা, পাথরঘাটা, বেতাগী, বামনার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. কামাল হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি।গত বছরে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘কাজ না করেই কোটি টাকার টিআরের বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

তিন উপজেলায় প্রকল্পের সংখ্যা ৩২৩টি। এর মধ্যে পাথরঘাটা ও বেতাগীর বিভিন্ন এলাকায় অধিকাংশ প্রকল্পে অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষেয়ে শওকত হাসানুর রহমান রিমন বলেন, “এসব প্রকল্পের কাজ হয়েছে কি না, তা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিষয়। এটা আমার বিষয় নয়।”

এ খবরের সূত্র ধরে গত বছরের ২৭ অক্টোবর দুদক চেয়ারম্যান বরাবরে পাথরঘাটার বাসিন্দা সুলতান আহম্মেদ বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দেন। অভিযোগে বলা হয়, “স্থানীয় সংসদ সদস্য, জনগণের প্রতিনিধি আমাদের উন্নয়নের টাকা দিয়ে এলাকার উন্নয়ন না করে নিজে ব্যক্তিগতভাবে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ করেছেন।”

অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়ায় তিনি দুদককে ৭ নভেম্বর আইনি নোটিশ দেন। তাতেও সাড়া না পেয়ে ‍সুলতান আহম্মেদ হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্ট রিটের শুনানি শেষে রুল জারি করেন। পাশাপাশি ৩০ দিনের মধ্যে দুদকে দেওয়া অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেন বলে জানান আইনজীবী মো.কামাল হোসেন।

XS
SM
MD
LG