অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাইডেন ট্রাম্পঃ নির্বাচনের আগে প্রথম টেলিভিশন বিতর্কে মুখোমুখি দুই প্রেসিডেন্ট

০৬:১২ ২৮.৬.২০২৪

প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে এবার নতুন নিয়মাবলী

আটলান্টায় টেলিভিশন নেটওয়ার্ক সিএনএন-এর স্টুডিওতে সিএনএন প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেট-এর মঞ্চ প্রস্তুতু। টেলিভিশন দর্শকরা প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে দেখবেন মঞ্চের ডান দিকে। ফটোঃ ২৬ জুন, ২০২৪।
আটলান্টায় টেলিভিশন নেটওয়ার্ক সিএনএন-এর স্টুডিওতে সিএনএন প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেট-এর মঞ্চ প্রস্তুতু। টেলিভিশন দর্শকরা প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে দেখবেন মঞ্চের ডান দিকে। ফটোঃ ২৬ জুন, ২০২৪।

বৃহস্পতিবারের বিতর্কে নাটকীয় ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নতুন নিয়ম তৈরি করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আটলান্টায় সিএনএন-এর টেলিভিশন স্টুডিওতে দুজন অভিজ্ঞ উপস্থাপক, জেক ট্যাপার এবং ডানা ব্যাশ সঞ্চালন করবেন। স্টুডিওতে কোন দর্শক থাকবে না, যার ফলে বিতর্কের সময় উল্লাস, হাততালি বা দুয়োধ্বনির সম্ভাবনা থাকবে না।

দু’পক্ষের সম্মতিক্রমে তৈরি নিয়মাবলী অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থী তাদেরকে সরাসরি করা প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য দু’মিনিট সময় পাবেন। এক জনের উত্তর খণ্ডন করার জন্য অপর জন এক মিনিট সময় পাবেন, এবং খণ্ডনের জবাব দেয়ার জন্য অন্য জন এক মিনিট পাবেন।

হয়তো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যে প্রার্থীকে প্রশ্ন করার হচ্ছে, শুধু তাঁর মাইক্রোফোনই খোলা থাকবে। তাদের কথা বলার সময় শেষ হবার পাঁচ সেকেন্ড আগে লাল বাতি ফ্ল্যাশ করতে থাকবে। সময় ফুরিয়ে গেলে এবং মাইক্রোফোন অফ হয়ে গেলে লাল বাতি স্থির হয়ে জ্বলবে।

বিতর্ক অনুষ্ঠান চলবে ৯০ মিনিট ধরে, মাঝে সাড়ে তিন মিনিট করে দুটি বিজ্ঞাপন বিরতি থাকবে। তবে বিরতির সময় প্রার্থীদের উপদেষ্টারা তাদের সাথে কথা বলতে পাড়বে না। প্রার্থীরা কোন জিনিস বা আগে থেকে লেখা নোট নিয়ে আসতে পারবেন না, তবে তাদের কাগজ, কলম এবং পানি দেয়া হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ভাষণের কোন সুযোগ থাকবে না। কে স্টেজের কোন দিকে দাঁড়াবে এবং কার সমাপনি বক্তব্য শেষে হবে তা নির্ধারণ করার জন্য টস করা হয়। বাইডেন টসে জিতে স্টেজের ডান দিক বেছে নেন, আর শেষ সমাপনি বক্তব্য দেবার সুযোগ পাবেন ট্রাম্প ।

বিস্তারিতঃ https://www.voabangla.com/a/7675225.html

০৬:৩৬ ২৮.৬.২০২৪

চার বছর পর পুনরায় বাইডেন-ট্রাম্প মুখোমুখি বিতর্ক

The CNN studio is prepared for the first presidential debate of the 2024 elections between US President Joe Biden and former US President and Republican presidential candidate Donald Trump at the CNN's studios in Atlanta, Georgia, on June 27, 2024. (Photo
প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেটের জন্য টেলিভিশন নেটওয়ার্ক সিএনএন-এর আটলান্টা স্টুডিও প্রস্তুতু। ফটোঃ ২৭ জুন, ২০২৪।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ( ২৭ জুন) রাতে এক বিতর্ক অনুষ্ঠানে মুখোমুখি হচ্ছেন, যা হবে ৫ নভেম্বরের নির্বাচনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

টেলিভিশন নেটওয়ার্ক সিএনএন-এর ব্যবস্থাপনায় তাদের আটলান্টা স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত হবে 'সিএনএন প্রেসিডেন্সিয়াল ডিবেট।' বিতর্ক সঞ্চালনা করবেন নেটওয়ার্কের দুইজন শীর্ষ উপস্থাপক, জেক ট্যাপার এবং দানা ব্যাশ।

প্রতি চার বছর অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে এবারের বিতর্ক হবে, সময়ের দিক থেকে, সবচেয়ে আগে। কিন্তু এটা হবে ২০২০ সালে তাদের বিতর্কের পুনরাবৃত্তি, যেটা হয়েছিল নির্বাচনের দু’মাস আগে। সেই নির্বাচনে বাইডেন ট্রাম্পকে পরাজিত করে তাঁর পুন নির্বাচনের চেষ্টা ব্যর্থ করেছিলেন।

বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠান হবে প্রথম ঘটনা যখন দু’জন প্রেসিডেন্ট একে অপরের সাথে বিতর্ক করবেন, এবং ২০২০ সালের অক্টোবর মাসের পর বাইডেন আর ট্রাম্প প্রথমবার একই ঘরে অবস্থান নেবেন।

ট্রাম্প ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে বাইডেনের অভিষেকে যোগ দেন নি, এবং তারপর থেকে তাঁরা একে অপরের সাথে বাক-বিতণ্ডায় জরিয়ে আছেন।

০৭:৩৪ ২৮.৬.২০২৪

অর্থনীতি নিয়ে প্রথম প্রশ্ন

অর্থনীতি নিয়ে ট্রাম্প গর্ব করে বলেন তাঁর সময়ে আমেরিকার অর্থনীতি বিশ্বের সেরা ছিল। কিন্তু প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন অর্থনীতি ছিল “অবনতিশিল।” ট্রাম্প কোভিড মহামারির মোকাবেলায় তাঁর সরকারের সাফল্যের দাবী করেন।

মে মাসে গ্যালাপ জরীপ অনুযায়ী, আমেরিকায় ১০ জনের মধ্যে ৩ জন মনে করেন দেশের সামনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে অর্থনীতি। তবে সেখানে বেশ কয়েকটি অর্থনীতি সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

০৭:৪৪ ২৮.৬.২০২৪

গর্ভপাত নিয়ে মন্তব্য

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (ডানে) তাঁর রিপাবলিকান প্রতিপক্ষ প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য শুনছেন। ফটোঃ ২৭ জুন, ২০২৪।
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (ডানে) তাঁর রিপাবলিকান প্রতিপক্ষ প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য শুনছেন। ফটোঃ ২৭ জুন, ২০২৪।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, বিভিন্ন রাজ্যে গর্ভপাতের উপর বিধিনিষেধের জন্য প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডলান্ড ট্রাম্প দায়ী।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র সুপ্রিম কোর্টে তিনজন বিচারক নিয়োগ করেন, যাদের সাহায্যে গর্ভপাতের সাংবিধানিক অধিকার বাতিল করা হয়। নির্বাচনী প্রচারণার সময় ট্রাম্প এটার জন্য কৃতিত্ব দাবী করেন।

বাইডেন হুঁশিয়ারি দেন যে, ট্রাম্প পুনরায় প্রেসিডেন্ট হলে সারা দেশে গর্ভপাতের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।

আরও লোড করুন

XS
SM
MD
LG