১০ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সকালে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ১১ আগস্ট থেকে শুরু হবে বলে জানান অধ্যাপক তপন।
তিনি আরও জানান, পরে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরীক্ষার নতুন সময়সূচি জানানো হবে।
এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে চলমান অসন্তোষের কারণে ২৮, ২৯, ৩১ ও ১ আগস্ট এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
(এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)
টেলিকম ও আইসিটি খাতে ১৮ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি: পলক
কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বেসরকারি খাতে ১৮ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সরকার বেসরকারি খাতের ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তাদের সহায়তার উদ্যোগ নিয়েছে।
কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ১৮ জুলাই মোবাইল ইন্টারনেট এবং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয়। সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশকে অনলাইনে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং বিভিন্ন পরিষেবা ব্যাহত করে।
১৮ জুলাই থেকে ফোরজি মোবাইল ইন্টারনেট সেবা ১০ দিন ধরে বন্ধ ছিল।
তিনি বলেন, "ব্যবহারকারীরা তিন দিনের জন্য ৫ জিবি ইন্টারনেট বোনাস পাবেন। তবে অনেক গ্রাহক অভিযোগ করেছেন যে তারা এখনও তা পাননি।"
সব অপারেটরকে অবশ্যই এ আদেশ মেনে চলতে হবে এবং কোনো অপারেটরের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
(এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)
ডিবি হেফাজত থেকে মুক্তি পেলেন কোটা আন্দোলনের ৬ সমন্বয়ক
ডিবি হেফাজতে নেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে ডিবি হেফাজত থেকে মুক্তি পান এই ছয় সমন্বয়ক।
সমন্বয়কদের একজন রিফাত রশিদ এক ফেসবুক পোস্টে তাদের মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) বলেন, "তারা আমাদের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছিলেন। এ ব্যাপারে জিডিও করা হয়েছিল। এখন তারা বলছেন তাদের আর নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। যখন তারা চলে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, চলে যেতে আমরা কোনো বাধা দেইনি। তারা চলে গেছেন।"
সমন্বয়কদের ডিবি অফিসে নেওয়ার বিষয়ে করা মামলা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, "৬ সমন্বয়ককে ডিবি অফিসে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তার জন্য। সেটাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট ডিভিশনে একটা মামলা করা হয়েছিল। মামলার একজন বিচারপতি অসুস্থতার কারণে ছুটিতে থাকায় শুনানি হচ্ছে না।"
গত ২৭, ২৮ ও ২৯ জুলাই নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের মজুমদার, সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ ও নুসরাত তাবাসসুমকে হেফাজতে নেয় ডিবি।
এর আগে রবিবার (২৮ জুলাই) বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপকমিশনার (বুধবার তাকে ডিবি থেকে বদলি করা হয়েছে) হারুন অর রশীদ বলেন, 'নিরাপত্তাজনিত কারণে' তাদের আটক করা হয়েছে।
পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় এক ভিডিও বার্তায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম রবিবার রাতে তাদের আন্দোলন কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
তবে পুলিশ হেফাজতের বাইরে থাকা সমন্বয়করা সে সময় বলেন, এরকমই ঘটবে তা তারা আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন। তাই তারা পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন তাদের সহকর্মী সমন্বয়কারীদের যেকোনো বিবৃতি প্রত্যাখ্যান বা উপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিলেন। তাদের দাবী, চাপের মুখে এই বিবৃতি দিতে বাধ্য করা হয়েছিল।
একই দিন হারুনুর রশীদের ফেসবুক পেইজে খাবার টেবিলে বসা সমন্বয়কদের একটি ছবি পোস্ট করেন। এর কিছুক্ষণ পর নাহিদ ইসলামের ভিডিও বার্তাটি প্রকাশ করা হয়।
এই ঘোষণার পরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা আন্দোলনের অন্যান্য সমন্বয়ক বিবৃতি দিয়ে তাদের নয় দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
(এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)
বৃহস্পতিবার সারা দেশে 'আমাদের বীরদের স্মরণ' ক্যাম্পেইন করবে কোটা আন্দোলনকারীরা
বৃহস্পতিবার সারা দেশে ‘আমাদের বীরদের স্মরণ’ শিরোনামে একটি ক্যাম্পেইন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
বুধবার (৩১ জুলাই) আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক রিফাত রশিদের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গণহত্যা, ব্যাপক গ্রেপ্তার, হামলা, গুমের ঘটনা ও শিক্ষকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হচ্ছে। জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত করে শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি পূরণের আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই ক্যাম্পেইনের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- নিপীড়নের দিন-রাতের স্মৃতিচারণ, শহীদ ও আহতদের প্রতি পরিবার ও সহকর্মীদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নির্যাতনের ঘটনাগুলো চিত্রিত শিল্প ও গ্রাফিতি, ব্যানার, পোস্টার এবং ডিজিটাল প্রতিকৃতি তৈরি করা।
শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, বুদ্ধিজীবী, সর্বস্তরের পেশাজীবীসহ সবাইকে এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
(এই প্রতিবেদনের তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)