জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত শতাধিক
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের 'সর্বাত্মক অসহযোগ' কর্মসূচি চলাকালে, রবিবার (৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন শতাধিক ব্যক্তি।
'সর্বাত্মক অসহযোগ' কর্মসূচির পক্ষে প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করছিলো পেশাজীবী পরিষদ। দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটের দিকে পুলিশ সুপ্রিম কোর্ট এলাকা থেকে এসে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে জানান পেশাজীবী পরিষদের সদস্যরা।
এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা আশেপাশের গলিতে অবস্থান নেয় এবং পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এসময় অন্তত ১০০ জন আহত হয়।
পরে বিক্ষোভকারীরা মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে রাস্তায় টায়ার ও অন্যান্য জিনিসপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করেছে বলে অভিযোগ করেন পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব কাদের গণি। পুলিশের হামলায় শতাধিক আন্দোলনকারী আহত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
(এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)
মুন্সীগঞ্জে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ-পুলিশের সংঘর্ষে নিহত ২ জন
মুন্সীগঞ্জ সদরে রবিবার (৪ আগস্ট) আন্দোলনকারী, আওয়ামী লীগ কর্মী ও পুলিশের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তাদের বয়স যথাক্রমে ৩০ ও ৩৫ বছর।
এ ঘটনার পর জেলা শহর ও এর আশপাশে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ,সকাল ১০টা থেকে শহরের সুপার মার্কেট সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর্যের পাদদেশে সমবেত হতে থাকেন আন্দোলনকারীরা।
কিছুক্ষণ পর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ধাওয়া করে এলাকা দখলে নেয়। এরপর ক্ষুদ্ধ আন্দোলনকারীরা সংগঠিত হয়ে তাদের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়।আহতদের মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর রিপন জানান, সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে বলে তিনি খবর পেয়েছেন। পুলিশকে গুলি না চালানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
(এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)
বিএসএমএমইউর সামনে আন্দোলনকারী ও আওয়ামী লীগ কর্মীদের সংঘর্ষ, কয়েকটি গাড়িতে আগুন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের সামনে আওয়ামী লীগ কর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের সময় পার্ক করা কয়েকটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
রবিবার (৪ আগস্ট) প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, হাসপাতালের সামনের রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। সড়ক অবরোধ থাকায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস। এতে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা ব্যাহত হয়।
ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরাই এসব যানবাহনে আগুন দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে আন্দোলনকারীদের।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানায়, হাসপাতালের কাছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে তাদের ধাওয়া করে আন্দোলনকারীরা।
(এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)
মুন্সীগঞ্জে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ-পুলিশের সংঘর্ষে নিহত ২ জন
মুন্সীগঞ্জ সদরে আন্দোলনকারী, আওয়ামী লীগ কর্মী ও পুলিশের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তাদের বয়স যথাক্রমে ৩০ ও ৩৫ বছর।
এ ঘটনার পর জেলা শহর ও এর আশপাশে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টা থেকে শহরের সুপার মার্কেট সংলগ্ন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর্যের পাদদেশে সমবেত হতে থাকেন আন্দোলনকারীরা।
কিছুক্ষণ পর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ধাওয়া করে এলাকা দখলে নেয়। এরপর ক্ষুদ্ধ আন্দোলনকারীরা সংগঠিত হয়ে তাদের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়।আহতদের মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর রিপন জানান, সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে বলে তিনি খবর পেয়েছেন। পুলিশকে গুলি না চালানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
(এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)