অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বৃহস্পতিবারের মধ্যে কাজে যোগ না দিলে পুলিশের চাকরি থাকবে না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন

১৯:৩১ ১১.৮.২০২৪

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পুলিশকে আর ব্যবহার করা যাবে না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন

অন্তবর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।
অন্তবর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।

আগামী বৃহস্পতিবারের (১৫ আগস্ট) মধ্যে পুলিশ সদস্যরা কাজে যোগ না দিলে চাকরি থাকবে না বলে সতর্ক করেছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।

প্রথম কর্মদিবসে রোববার (১১ আগস্ট) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “আপনারা যদি বৃহস্পতিবারের মধ্যে না আসেন, তাহলে আমি ধরে নেবো আপনারা চাকরিতে ইচ্ছুক নন।”

কোনো রাজনৈতিক দল যদি দখল-চাঁদাবাজি করে, তাদের পা ভেঙে দিতে সেনাবাহিনীকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, “এদেশে পলিটিকস করতে হলে পলিটিক্যাল পার্টি অ্যাক্টের (রাজনৈতিক দল আইন) মধ্যে থেকে করতে হবে। এটা আপনাদের পছন্দ হলেও, না হলেও। ‌ আমি যতদিন পর্যন্ত আছি, আমি এটা করে ছাড়বো। আপনারা স্বৈরাচারী হয়ে যাবেন, এটা তো হবে না।”

“সব রাজনৈতিক দলকে আমি একটি মেসেজ দিচ্ছি। একটি পলিটিক্যাল পার্টির অবস্থা আপনারা দেখুন; এত বড় একটা দল, এত ঐতিহ্যবাহী দল, যার নামের সঙ্গে স্বাধীনতা জড়িত, আজকে তাদের সদস্যদের পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে;” যোগ করেন তিনি।

উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন আরো বলেন, “যদি মনে করেন, তাদের জায়গায় আমি আসলাম, দখল করবো; বাজার দখল করবো, ঘাট দখল করবো, এটা দখল করবো, চাঁদাবাজি করবো। আমি কিন্তু সেনাপ্রধানকে বলেছি, অনুরোধ করেছি, আপনাদের পা ভেঙে দিতে। আই ডোন্ট কেয়ার।”

“আমি শুনেছি কারওয়ান বাজারে গিয়ে চাঁদাবাজি করেন। কিছুক্ষণ আগে শুনলাম, ব্যাংক দখলে নেয়ার জন্য মারামারি হচ্ছে। ‌ কিছুটা সময় আছে, এখন করেন;” আরো বলেন তিনি।

“ভাই আমি পাবলিকও না, আমি পলিটিশিয়ানও না, আমার ব্যাকগ্রাউন্ড হচ্ছে আমি ফৌজি মানুষ। যা বলবো তাই করবো; এখানে এক দিন থাকি, আর তিন দিন থাকি;” তিনি যোগ করেন।

উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “যেই পার্টিই হোক, আমি বারবার বলছি, চাঁদাবাজি করবেন না; মানুষের দুর্ভোগ বাড়াবেন না। তাহলে আমি জনগণকে বলবো, আপনাদের পিটাইয়া দিতে।”

জনগণের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, “যারা চাঁদাবাজি করবে তাদের ওখানেই ধরেন। যা করা লাগে, সেটা আমরা করবো।‌‌ শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে, ‌ দেশ এভাবে চলতে পারে না।”

(এই রিপোর্টের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)

১৯:৩৫ ১১.৮.২০২৪

ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে গোলাগুলি, আহত ৫ জন

মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ।
মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ।

রাজধানী ঢাকার মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ের সামনে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ব্যাংকটির চার কর্মকর্তাসহ পাঁচজন।

আহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় মিলেছে। তারা হলেন; ব্যাংক কর্মকর্তা মামুন, আব্দুর রহমান, বাকি বিল্লাহ ও গুদামের নিরাপত্তাকর্মী শফিউল্লাহ সরদার। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সূত্র জানায়, রবিবার (১১ আগস্ট) সকালে 'বৈষম্যবিরোধী ব্যাংকার সোসাইটি' ব্যানারে কয়েকজন কর্মকর্তা ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার চেষ্টা করছিলেন।

এসময় এস আলম গ্রুপের অধীনে কর্মরত কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তা তাদের সমাবেশে যেতে বাধা দিলে হাতাহাতি শুরু হয়। এক পর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হলে পাঁচজন আহত হন।

এ ঘটনার পর, ব্যাংকে এবং আশপাশের এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ বিষয়ে জানতে, মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদকে বারবার চেষ্টা করেও মোবাইল ফোনে পাওয়া যায়নি।

ইসলামী ব্যাংকের সামনে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় জড়িতদের শিগগিরই আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেছেন, “ইসলামী ব্যাংকের ঘটনা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। দোষীদের ছাড় দেয়া হবে না।” রোববার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

(এই রিপোর্টের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)

১৯:৩৬ ১১.৮.২০২৪

‘ইন্টারনেট বন্ধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে’, বললেন উপদেষ্টা নাহিদ

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

রবিবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। বলেন, “আন্দোলনের সময় দেশব্যাপী ইন্টারনেট বন্ধের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আজই উদ্যোগ নেয়া হবে।”

নাহিদ ইসলাম বলেন, ইন্টারনেট পরিষেবা পাওয়া জনগণের অধিকার। সুতরাং, ইন্টারনেট কমানো বা বন্ধ করে দেয়া মানবাধিকারের লঙ্ঘন। তাই মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো কাজ যাতে না হয় সেদিকে নজর থাকবে।

কিছু হলেই ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়ার ঘটনা আর ঘটবে না বলে জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম আরো বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে তরুণদের যুক্ত করার মাধ্যমে তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করা হবে।

(এই রিপোর্টের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)

১৯:৩৮ ১১.৮.২০২৪

নয় বছর পর ভারত থেকে স্বদেশে ফিরেছেন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

নয় বছর ভারতের শিলং শহরে কাটিয়ে স্বদেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

রবিবার (১১ আগস্ট) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, দুপুর সোয়া ২টার দিকে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

গত ৬ আগস্ট গুয়াহাটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার ট্রাভেল পাস ইস্যু করায়, তার দেশে ফেরার পথ পরিষ্কার হয়।

বাষট্টি দিন নিখোঁজ থাকার পর, ২০১৫ সালের ১১ মে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের রাজধানী শিলং শহরে পাওয়া যায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে।

সেসময় বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশের দায়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ফরেনার্স অ্যাক্টে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

পরে তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে শিলং থানা পুলিশ। ২০১৮ সালের ২৬ অক্টোবর অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেয় শিলংয়ের একটি আদালত।

উচ্চতর আদালত ২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এই রায় বহাল রাখে। এই রায়ে ভারত সরকারকে তার বাংলাদেশে ফেরার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেয়া হয়।

বিএনপির অভিযোগ, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ ঢাকার উত্তরার বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে একদল লোক সালাহউদ্দিনকে অপহরণ করেছিলো।

(এই রিপোর্টের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)

আরও লোড করুন

XS
SM
MD
LG