অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে ২ কোটি ১০ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে


বাংলাদেশে ২ কোটি ১০ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্যাম্পেইন শনিবার সারা দেশে পরিচালিত হয়েছে। দেশব্যাপী ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রসহ অতিরিক্ত আরো ২০ হাজার অস্থায়ী ও ভ্রাম্যমান কেন্দ্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রংয়ের এবং এক বছর থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রংয়ের একটি ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

সকাল আটটা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, লঞ্চ ঘাট, বিমানবন্দর, ফেরি ঘাটসহ ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমেও শিশুদের এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। পুরো কার্যক্রমে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের পাশাপাশি ২ লাখ ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন।

দুপুরে শিশু হাসপাতালে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এসময় তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের আগে দেশে রাতকানা রোগের হার ছিল ১০ ভাগের বেশি। টিকাদান কর্মসূচির কারণে তা এখন এক ভাগেরও নিচে নেমে এসেছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, এ কর্মসূচির আওতায় ১২টি জেলার ৪২টি উপজেলার ২৪০টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় শিশুদের খুঁজে ক্যাম্পেইনের পরের চার দিন বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে আগামী ২৫শে জানুয়ারি এ কর্মসূচি পালন করা হবে।

বছরে সাধারণত দু’বার শিশুদের এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। গত বছরের ১৯শে জানুয়ারি ক্যাম্পেইন কার্যক্রম স্থগিত করে এক মাস পিছিয়ে দেয়া হয়েছিল ক্যাপসুলের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠার কারণে। এ বছর যথাযথ মান পরীক্ষা করে ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এবার লাল রংয়ের ক্যাপসুল সংগ্রহ করা হয়েছে দেশীয় একটি প্রতিষ্ঠান থেকে। নীল রংয়ের ক্যাপসুল সরবরাহ করেছে কানাডীয় প্রতিষ্ঠান। উল্লেখ্য যে, ভিটামিন এ খাওয়ানোর ফলে শিশু রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা পায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং দৃষ্টিশক্তি ভাল থাকে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:36 0:00
সরাসরি লিংক




XS
SM
MD
LG