অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চাকরি থেকে স্থানীয়দের ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে কক্সবাজারে সমাবেশ


বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক কার্যক্রমে নিয়োজিত কক্সবাজারের কর্মীদের ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন স্থানীয়রা।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে যোগ দিয়েছেন কক্সবাজারের তরুণ আবুল মনছুর। রোহিঙ্গা সংকটের শুরুতে একটি এনজিওতে ৬মাস কাজ করেছেন তিনি। প্রজেক্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে আর চাকরি হচ্ছেনা তার। এনজিও সংস্থাগুলোর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চেনাজানা লোককে নিয়োগ দেয়ায় নিজে চাকরি পাচ্ছেন না বলে ধারণা আবুল মনছুরের। এরকম একই ধারণা নিয়ে সমাবেশে যোগ দিয়েছেন স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবং এনজিওতে ৩ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা সম্পন্ন স্থানীয় যুবক মোহাম্মদ মোস্তাক।

আন্দোলনকারীরা জানান, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের প্রায় ৫ লাখ স্থানীয় জনগণের বিপরীতে আশ্রয় নিয়েছেন ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। এতে করে এখানকার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই রোহিঙ্গা রেসপন্সের ২৫ শতাংশ অনুদান ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয়দের জন্য বরাদ্দের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। এর সচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিকল্পিত কক্সবাজার আন্দোলনের সমন্বয়ক আবদুল আলিম নোবেল।

আন্দোলনকারীরা আরো জানান, রোহিঙ্গা সংকটের শুরুতে সর্বপ্রথম মানবিক সাড়া দিয়েছিলেন স্থানীয়রা। দেশী-বিদেশী মানবিকতা কর্মীদের সাথে অনেকেই কাজও করছেন শুরু থেকে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের ভাষা ও সংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা রয়েছে স্থানীয়দের। তাই স্থানীয়দের ছাঁটাই করা অযৌক্তিক বলে দাবি আমরা কক্সবাজারবাসী’র সংগঠক ইমরুল কায়েস চৌধুরীর।

বিষয়টি নিয়ে এনজিওদের সাথে আলোচনা করার কথা জানান শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম। স্থানীয়করণের প্রক্রিয়া চলছে উল্লেখ করে স্থানীয়দের অধিকতর বড় পদের জন্য প্রস্তুত করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।


XS
SM
MD
LG