অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বসনিয়ার ক্যাম্প এবং জঙ্গলে আশ্রয় নেয়া বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের নিয়ে ইউএনএইচসিআর,আইওএম এর উদ্বেগ


ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে অভিবাসন প্রত্যাশী হাজার খানেক বাংলাদেশীসহ কমপক্ষে ১০ হাজার জন বিভিন্ন দেশের নাগরিক বসনিয়ার ক্যাম্প এবং জঙ্গলে তীব্র শীতের মধ্যে আশ্রয় নেয়ায় যে সীমাহীন দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে তাতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এবং অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম। দুটো সংস্থার সদ্য প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বরফাচ্ছন্ন তীব্র শীতের মধ্যে অভিবাসন প্রত্যাশীদের অবস্থানকে মানবেতর এবং সমূহ জীবনহানীর ঝুঁকির পরিস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করে বসনিয়ার সরকারের প্রতি তাদের আশ্রয় প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের জোর আহ্বান জানিয়েছে।



বসনিয়ার সীমান্ত এলাকায় এ বছরের গোড়ার দিক থেকে বাংলাদেশেরসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসন প্রত্যাশীরা জড় হতে থাকেন। আইওএম গত এপ্রিলেই কমপক্ষে সাতটি ক্যাম্প স্থাপন করে কিছুসংখ্যক অভিবাসন প্রত্যাশীকে আশ্রয় দেয়। বাকিরা জঙ্গলে এবং পরিত্যাক্ত ভবনগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন। বসনিয়ায় বাংলাদেশের কোনো দুতাবাস নেই। নেদারল্যান্ড এবং বেলজিয়ামের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে বসনিয়ার সরকারের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে বলে ঢাকায় প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে।

জাতিসংঘ ও মানবিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাগুলো জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে বসনিয়ার লিপায় স্থাপিত জরুরি ক্যাম্পটিতে আগুন লাগা এবং বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুরবস্থা চরমে পৌঁছেছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া ক্যাম্পেও পাচ শতাধিক অভিবাসন প্রত্যাশী আটকা পড়েছেন। এছাড়া উনা-সানা ক্যান্টনের একটি ক্যাম্পও বন্ধ হয়ে গেছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো নতুন কোনো অভিবাসীকে ওইসব দেশগুলোতে আর প্রবেশ করতে দেয়া হবে না মর্মে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ইউএনএইচসিআর অবশ্য বলছে, সব বাধাবিপত্তি উপেক্ষা করেও এ বছরের প্রথম ৮ মাসে ৩ হাজার ৪ শ’ জন অভিবাসন প্রত্যাশী বাংলাদেশী ইউরোপে পৌঁছেছেন।


XS
SM
MD
LG