অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ভাসানচরে আতিথেয়তায় মুগ্ধ রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দল


ভাসানচরে আতিথেয়তায় মুগ্ধ রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দল

ভাসানচরে আতিথেয়তায় মুগ্ধ রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দল। ভাসানচর পরিদর্শনকারী রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত তারা যেটুকু দেখেছেন এতে রোহিঙ্গাদের জন্য আয়োজনের কোন কমতি রাখেনি বাংলাদেশ সরকার।

ভাসানচরে আতিথেয়তায় মুগ্ধ রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দল। ভাসানচর পরিদর্শনকারী রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত তারা যেটুকু দেখেছেন এতে রোহিঙ্গাদের জন্য আয়োজনের কোন কমতি রাখেনি বাংলাদেশ সরকার।

পরিকল্পিত, সাজানো গোছানো সব আয়োজন- আকৃষ্ট করেছে রোহিঙ্গা নেতাদের। আগে থেকেই ভাসানচরে থাকা রোহিঙ্গাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন কোন কোন রোহিঙ্গা নেতা। কিন্তু কক্সবাজারের ক্যাম্পে পরিবারের কাছে ফিরতে মরিয়া রোহিঙ্গারা ভাসানচরে থাকতে নারাজ।

মালয়েশিয়া যেতে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসার সময় সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে তিন শতাধিক রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নিয়ে আশ্রয় দিয়েছিলেন বাংলাদেশ সরকার। সফরকারী প্রতিনিধি দলের সাথেই ক্যাম্পে ফিরে যেতে চান তারা।

বর্তমান শরণার্থী ক্যাম্প থেকে ভাসানচরের সুযোগ সুবিধা অবশ্যই বেশি। কিন্তু কেন রোহিঙ্গাদের ভাসান চরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে- প্রতিনিধি দলের কাছে তা পরিষ্কার নয়। রোহিঙ্গা নেতারা চান- ক্যাম্প থেকে মিয়ানমারের নিজেদের বসতবাড়িতে ফিরে যেতে। ভাসানচরে গিয়ে তাদের কী সুফল মিলবে- তা এখনও বুঝতে পারছেন না রোহিঙ্গা নেতারা। আর দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার মধ্য থেকে মাত্র এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে সরিয়ে কি ফায়দা হতে পারে- তা নিয়ে অন্ধকারে প্রতিনিধি দলের অনেকেই।

বাংলাদেশ সরকারের যে কোন সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করবেন- এমন অভিমত জানিয়ে রোহিঙ্গা নেতারা বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত হবে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নিজেদের বসতবাড়িতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা।

এখন যে ক্যাম্পে রয়েছেন সেখান থেকে মিয়ানমারেরর টান অনুভব করেন, দুরের ঠিকানা গড়লে- ফিরে যাওয়ার আকাংখা কমতে পারে বলেও আশংকা করেছেন রোহিঙ্গা নেতারা।

কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী শিবিরে তিন বছর ধরে আশ্রয়ে রয়েছেন প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা। সেখান থেকে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জোয়ার ও জলোচ্ছ্বাস থেকে সেখানকার ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা রক্ষা করতে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁধ এবং এক লাখ রোহিঙ্গা বসবাসের উপযোগী ১২০টি গুচ্ছগ্রামের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। মালয়েশিয়া যেতে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসা তিন শতাধিক রোহিঙ্গাকে সমুদ্র থেকে উদ্ধার করে ভাসানচরে নিয়ে আশ্রয় দিয়েছে সরকার।

এখন প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তরের উদ্দেশ্যে দ্বীপটি দেখতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে রোহিঙ্গা প্রতিনিধি দলটিকে। ভাসানচর থেকে ফিরে কক্সবাজারের ক্যাম্পে আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের ভাসানচর আশ্রয়ন প্রকল্প সম্পর্কে ধারণা দেবেন প্রতিনিধি দলের রোহিঙ্গা নেতারা।
৮ সেপ্টেম্বর ভাসান চর থেকে প্রতিনিধি দলের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:05:00 0:00


XS
SM
MD
LG