অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত


রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়েছে। শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ ও চীনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এ নিয়ে কর্মকর্তারা একমত হয়েছেন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সন্ত্রাস, কাউন্টার টেরোরিজম, মাদক ও সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা, ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রশিক্ষণ, পুলিশের সরঞ্জামাদি সহযোগিতা ও নিরাপত্তা সহযোগিতায় যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের ব্যাপারে তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে চীনা প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির জননিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ও স্টেট কাউন্সিলর ঝাও কেঝি। বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেন আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৈঠক শেষে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীন যেন মিয়ানমারের প্রতি চাপ প্রয়োগ করে বাংলাদেশ তা পুনর্ব্যক্ত করেছে। চীন বলেছে, তারা বিশ্বাস করে যারা বাংলাদেশে এসেছে তারা মিয়ানমারে ফিরে যাবে। চীনা প্রতিনিধি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বাস্তবায়নেরও তাগিদ দিয়েছে। তারা ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশি নাগরিকদের অনএড়াইভেল ভিসা দেয়ার ব্যাপারে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। চীনা প্রতিনিধি দল বলেছে, তারা তাদের সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবে। চীনা নাগরিকরা বাংলাদেশে অনএড়াইভেল ভিসা সুবিধা পেয়ে থাকে। বৈঠকে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও সাইবার ক্রাইম- এই তিন ইস্যুতে উভয় দেশ একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে।

উল্লেখ্য, চীনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় পৌঁছেই গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। এ সময় তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীন গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে। ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী

XS
SM
MD
LG