অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমতি পেলো বঙ্গভ্যাক্স

ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ডোজ দিয়ে একজন স্বাস্থ্যকর্মী একজন ব্যক্তিকে টিকা দিচ্ছেন। (ফাইল ছবি)
ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ডোজ দিয়ে একজন স্বাস্থ্যকর্মী একজন ব্যক্তিকে টিকা দিচ্ছেন। (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) স্থানীয় কোম্পানি গ্লোব বায়োটেকের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা ‘বঙ্গভ্যাক্স’ মানুষের শরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছে।রবিবার (১৭ জুলাই) ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সালাউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) প্রথম ধাপের এই ট্রায়াল হবে। বিএসএমএমইউ-এর হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব এই ট্রায়ালের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

অনুমোদন দিয়ে ডা. মামুনকে পাঠানো ডিজিডিএ-এর চিঠি অনুসারে, গবেষণা প্রটোকলটি ডিজিডিএ কর্তৃক অনুমোদনের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য অনুমোদিত হবে।

গত বছরের ১৭ জানুয়ারি বঙ্গভ্যাক্সের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনার অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএমআরসি) কাছে আবেদন জমা দেয়। ২৩ নভেম্বর বিএমআরসি বঙ্গভ্যাক্সকে মানুষের শরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের নীতিগত অনুমোদন দেয়। গ্লোব বায়োটেক ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর টিকা তৈরির লাইসেন্স পায়।

বিএমআরসি, যারা এই ধরনের সমস্ত ট্রায়ালের তত্ত্বাবধান করে, গত বছরের জুনে কিছু শর্ত জুড়ে দেয়। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমতি পাওয়ার আগে এ শর্তগুলো পূরণ করতে হয়।

মূল শর্ত ছিল, গ্লোব বায়োটেক-কে প্রথমে বানর বা শিম্পাঞ্জির ওপর ট্রায়াল চালাতে হবে।

সেই সময়ে সংস্থাটির চিহ্নিত বাধাগুলোর মধ্যে একটি ছিল, বাংলাদেশে কোনও তৃতীয় পক্ষের ক্লিনিক্যাল গবেষণা সংস্থা (সিআরও) ছিল না, যা প্রাণীর ওপর এই জাতীয় পরীক্ষা পরিচালনা করতে পারে।

This item is part of
XS
SM
MD
LG