অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ: ৪ জনের স্বীকারোক্তি, ৬ জন রিমান্ডে


বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ: ৪ জনের স্বীকারোক্তি, ৬ জন রিমান্ডে

বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার মধুপুরে বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১০ জনের মধ্যে চারজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। বাকি ছয় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তিনদিন করে রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বিকেলে অভিযুক্তদের টাঙ্গাইল আদালতে তোলা হলে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ফারজানা হাসানাত ছয়জনের রিমান্ড অনুমোদন করেন।

গত রবিবার ঢাকা, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ থেকে চক্রের মূল হোতা রতনসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সোমবার তাদের টাঙ্গাইলে আনা হয়।

কোর্ট ইন্সপেক্টর তানবীর আহাম্মেদ জানান, মঙ্গলবার অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করে, সাতদিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ফারজানা হাসানাত ছয়জনের তিন দিন করে রিমান্ড অনুমোদন করেন। অভিযুক্তরা হলেন; সোহাগ মন্ডল (২০), খন্দকার হাসমত আলী ওরফে দীপু (২৩), বাবু হোসেন ওরফে জুলহাস (২১), মো. জীবন (২১), আব্দুল মান্নান (২২) ও নাঈম সরকার মুন্না (১৯)।

বাকি চার অভিযুক্ত আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন; ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রতন হোসেন (২১), মো. আলাউদ্দিন (২৪), রাসেল তালুকদার (৩২) ও আসলাম তালুকদার ওরফে রায়হান (১৮)।

এই মামলায় সবমিলিয়ে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গ্রেফতার তিনজন রাজা মিয়া, আওয়ালা ও নূরনবী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা জেলহাজতে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২ আগস্ট মঙ্গলবার রাতে ঈগল এক্সপ্রেসের একটি বাস কুষ্টিয়া থেকে ২৪ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিল। পথে যাত্রীবেশে ডাকাত দল বাসে ওঠে। বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পর, ডাকাতরা বাসের নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরে অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের জিম্মি করে লুটে নেয় নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালঙ্কারসহ সব মালপত্র। ডাকাতিতে বাধা দেয়ায় চলন্ত বাসেই তারা এক নারী যাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ডাকাতদল গতিপথ পরিবর্তন করে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের সামনে বাসটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা যাত্রীদের উদ্ধার করেন। ঐ বাসের যাত্রী হেকমত মিয়া বাদী হয়ে মধুপুর থানায় বাস ডাকাতি ও ধর্ষণের মামলা করেন।

XS
SM
MD
LG