অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১২ লাখের বেশি


বাংলাদেশে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১২ লাখের বেশি।

বাংলাদেশে রবিবার (৬ নভেম্বর) শুরু হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা। বাংলা প্রথম পত্র দিয়ে শুরু হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষা।

এবার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা এবং দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এ বছর মোট ১২ লাখ তিন হাজার ৪০৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে। এর মধ্যে ছয় লাখ ২২ হাজার ৭৬৯ ছেলে ও পাঁচ লাখ ৮০ হাজার ৬১১ মেয়ে।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুই হাজার ৬৪৯টি কেন্দ্র ও ৯ হাজার ১৮১টি প্রতিষ্ঠানে। পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ডিভাইস বহন করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এইচএসসি পরীক্ষার কারণে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়। এ কারণে, অনেক পরীক্ষার্থীকে শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হয়েছে

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, এইচএসসির লিখিত পরীক্ষা চলবে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর, ১৫ থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সকল বিষয়ে ১০০ নম্বরের জন্য তিন ঘণ্টা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের নির্দেশে ৩ নভেম্বর বাংলাদেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা হয়েছে; বন্ধ থাকবে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এদিকে,পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কারও চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

রবিবার রাজধানীর বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অভিনব কায়দায় প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা হয়েছিল। ঐ পরীক্ষায় যেসব ছোটখাটো ঘটনা ঘটেছে, তা বিশ্লেষণ করে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। কেউ যদি কোথাও প্রশ্ন ফাঁসের অপচেষ্টা করে, তাহলে আমরা সবাই মিলে তা প্রতিরোধ করব। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পরীক্ষার কেন্দ্রের বাইরে ভিড় প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্র ঘুরে দেখলাম বাইরে অভিভাবকদের অনেক ভিড়। অভিভাবকদের আমি অনুরোধ জানাব, সন্তানকে কেন্দ্রে দিয়ে, সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্র ত্যাগ করবেন। তাহলে কোনও পরীক্ষার্থীর কেন্দ্রে ঢুকতে সমস্যা হবে না।”

কোচিং সেন্টার বন্ধ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কোচিং বন্ধের নির্দেশনা রয়েছে। আর একই কোচিং সেন্টারে অনেক ধরনের কোচিং চলে। এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা শিক্ষা বোর্ডের পক্ষে একা বন্ধ করা সম্ভব নয়। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা দরকার।

২০২৩ সালের পরীক্ষা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আগামী বছরের পরীক্ষা এগিয়ে আনা হবে। এবার আমরা চেষ্টা করেছিলাম জুলাই-আগস্টে পরীক্ষা নিয়ে আসতে। কিন্তু দেশের একটি অঞ্চলে বন্যার কারণে পরীক্ষা নিতে দেরি হয়ে গেল। আগামী বছর আরও এগিয়ে আনার চেষ্টা করবো। আর আগামীতে যদি কোনও অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়, তাহলে সেই বোর্ডের পরীক্ষা সাময়িক বন্ধ রেখে, অন্য বোর্ডের পরীক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করব। যত দ্রুত সম্ভব ঐ বোর্ডের পরীক্ষাও নেব।”

XS
SM
MD
LG