অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পয়লা আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা লকডাউনের আওতামুক্ত


প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে বাংলাদেশ সরকার নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার পর কারখানাগুলি পুনরায় চালু করা হয়েছিল। ছবিতে মহিলারা একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করছেন। ৩ মে, ২০২০।

করোনার বিস্তার রোধে জারি করা বিধি-নিষেধ বাড়ানো নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি তর্কের মধ্যে সরকারের সিদ্ধান্ত এসেছে। বলা হয়েছে, পয়লা আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে। ব্যবসায়ীরা বিশেষ করে গার্মেন্টস মালিকরা এ নিয়ে সরকারের সঙ্গে দেন-দরবার করে আসছিলেন।দফায় দফায় মিটিংও করেছেন। তারা বলছিলেন, দীর্ঘ সময় গার্মেন্টস বন্ধ থাকলে অর্ডার বাতিল হবে। এতে ক্ষতি হবে দেশের। শ্রমিকরা বেতন পাবেন না। অসন্তোষ বাড়বে। লকডাউন চললেও কলকারাখানা বিধি-নিষেধের আওতার বাইরে রাখার যুক্তিও দিচ্ছিলেন। যেমনটা আগের লকডাউনে ছিল।

স্বাস্থ্য দপ্তর আরও ১০ দিন লকডাউন বাড়ানোর পক্ষে। জাতীয় পরামর্শক কমিটি এখনও কোনো মতামত দেয়নি। গত ২৩শে জুলাই থেকে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। অফিস-আদালতের সঙ্গে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন এবং কলকারখানাও। তবে এই কড়া বিধি-নিষেধ অনেকটাই শিথিল। স্বাস্থ্য দপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম আরও ১০দিন কড়া বিধি-নিষেধ বাড়ানোর পক্ষে। তার মতে, সংক্রমণ বাড়ছে এ কারণে আমরা সরকারকে বলেছি, বিধি-নিষেধ আরও ১০ দিন বাড়ানো উচিত।

XS
SM
MD
LG