অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে লাগামহীন সংক্রমণ রুখতে টিকাদান কর্মসূচির সম্প্রসারণ


ঢাকা মেডিকেল কলেজের টিকাদান কেন্দ্রে এক ব্যাক্তিকে টিকা দিচ্ছেন নার্স। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে করোনাভাইরাসের অব্যাহত সংক্রমণ রুখতে টিকাদান কর্মসূচি আরো সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৭ই আগস্ট থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকাদান শুরু হবে। গ্রামের মানুষদের জন্য কোন রেজিস্ট্রেশনের দরকার হবে না। জাতীয় পরিচয়পত্র দেখালেই টিকা দেয়া হবে। এমনকি যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারাও টিকা পাবেন।
প্রতিদিন সাড়ে ৮ লাখ মানুষকে টিকা দেয়া হবে। সপ্তাহে দেয়া হবে ৬০ লাখ। এ পর্যন্ত ১ কোটি ২০ লাখ ৮৭ হাজার ৮৩০ ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে। প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৭৭ লাখ ৭৭ হাজার ৪৩০ জন। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪৩ লাখ ১০ হাজার মানুষ। মোট টিকা এসেছে দুই কোটি ১ লাখ ৪৫ হাজার। টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন ১ কোটি ২৬ লাখ ২২ হাজার।
ভারত থেকে উপহারের ৩২ লাখসহ ১ কোটি ২ লাখ ডোজ টিকা এসেছে। চীন থেকে পাওয়া গেছে ৫১ লাখ। এর মধ্যে উপহারের ১১ লাখ রয়েছে। কোভ্যাক্স এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মর্ডানা ও ফাইজারের ৪৬ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে পৌঁছেছে। জাপান থেকে পাওয়া গেছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ডোজ।
উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, চলমান কঠোর বিধি-নিষেধ ৫ই আগস্ট পর্যন্ত বহাল থাকবে। এসময় শিল্প কারখানা খোলার আর সুযোগ নেই। যদিও ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিরা শিল্পকারখানার ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ শিথিল করার আবেদন করেছিলেন।
ওদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরো ২৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ প্রাণহানির রেকর্ড। সরকারি হিসাবে একই সময়ে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৪ হাজার ৯২৫ জন। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৮দশমিক ৪৪।

XS
SM
MD
LG