অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

গিলানির মৃত্যুর পর ভারত নিয়ন্ত্রণাধীন কাশ্মীরে লক ডাউন


ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের শ্রীনগরের রাস্তায় প্রহরায় রয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ আলী গিলানির মৃত্যুর পর ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বিতর্কিত কাশ্মীরে মানুষের চলাফেরা ও যোগাযোগের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সেপ্টেম্বর ২, ২০২১- এপি

গিলানির পুত্র নাসিম গিলানি এপিকে বলেন বুধবার ৯২ বছর বয়সী গিলানি  মারা যাবার পর কড়া বিধিনিষেধের মধ্যে অনাড়ম্বর ভাবে একটি কবরস্থানে  তাঁকে সমাহিত করা হয়।      

নয়াদিল্লীর বিরুদ্ধে সোচ্চার শীর্ষ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ আলী গিলানির মৃত্যুর পর ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বিতর্কিত কাশ্মীরে মানুষের চলাফেরা ও যোগাযোগের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

গিলানির পুত্র নাসিম গিলানি এপিকে বলেন বুধবার ৯২ বছর বয়সী গিলানি মারা যাবার পর কড়া বিধিনিষেধের মধ্যে অনাড়ম্বর ভাবে একটি কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

নাসিম গিলানি বলেন তাঁদের পরিবারের পরিকল্পনা ছিল এবং তাঁরও অন্তিম ইচ্ছা ছিল শ্রীনগরে শহীদ কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করার। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা দ্য প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া জানায় ভারত বিরোধী প্রতিবাদের আশঙ্কায় কর্তৃপক্ষ জন সমাবেশ এড়িয়ে গিলানিকে সমাহিত করেন।

বেশিরভাগ কাশ্মীরি গৃহে অবস্থান করছেন এবং রাস্তায় কড়া প্রহরায় রয়েছে পুলিশ এবং সেনা সদস্যরা। বিভিন্ন রাস্তায়, রাস্তার মোড়ে, সেতুর উপর সরকারি বাহিনী ইস্পাতের ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে। তা ছাড়া কাশ্মির উপত্যকার শহর ও গ্রামগুলোতে আরও তল্লাশি চৌকি স্থাপন করেছে।

প্রতিবাদ বিক্ষোভের সম্ভাবনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ সেলফোন নেটওয়ার্ক এবং মোবাইল ইন্টারনেট সার্ভিস বন্ধ রেখেছে। ভারতে গণ প্রতিবাদ এড়াতে সাধারণত সরকার এ রকম পদক্ষেপ নিয়ে থাকে।

কাশ্মীরের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে সোচ্চার ছিলেন গিলানি। কাশ্মীরকে পাকিস্তানের অংশ করার পক্ষেও কট্টর প্রবক্তা ছিলেন তিনি।

ভারতীয় শাসনের বিরুদ্ধে নাগরিক প্রতিবাদের প্রতীক ছিলেন গিলানি। কাশ্মীরের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দল নিয়ে তিনি ১৯৯৩ সালে তৈরি করেন অল পার্টিস হুরিয়াত কনফারেন্স। আর তাঁর আওতায় তিনি ঐ অঞ্চলের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের আন্দোলন করেন।

XS
SM
MD
LG