অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ভারতে করোনার সংক্রমণ আবারও আশংকাজনকভাবে বাড়ছে


ভারতের মুম্বাইয়ে করোনাভাইরাস রোগের বিস্তারের মাঝে জনাকীর্ণ একটি মার্কেট। ২৮ জুলাই, ২০২১।

ভারত জানিয়েছে শুক্রবার ৪৪,২৩০ জন লোক নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে যা গত তিন সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। সাম্প্রতিক এই তথ্য করোনা সংক্রমণের উদ্বেগজনক ঊর্ধ্বগতির প্রবণতার সর্বশেষ প্রমাণ। সংক্রমণের আরেকটি ঢেউয়ের আশঙ্কার মধ্যে একটি রাজ্য লকডাউন আরোপ করতে বাধ্য হয়েছে।

ভারতে এপ্রিল এবং মে মাসে ভাইরাসের ডেল্টা প্রকরণ এক প্রকার তাণ্ডব ঘটানোর পর সংক্রমণের হার হ্রাস পেয়েছিল। এটি আবার বাড়ছে, গত আট দিনের মধ্যে সাতদিনের সংক্রমণের সংখ্যা বেশি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী দেশব্যাপী সংক্রমণের সংখ্যা ৩ কোটি ১৫ লক্ষ ৭০ হাজারে পৌঁছেছে। রাতারাতি মৃত্যুর সংখ্যা ৫৫৫ বেড়েছে, যার ফলে মোট সংখ্যা ৪,২৩,২১৭ তে দাঁড়িয়েছে।

জুনের শেষের দিকে রয়টার্সের জরিপে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন যে অক্টোবরের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের তৃতীয় তরঙ্গ ভারতে আঘাত হানতে পারে, যদিও এটি ধ্বংসাত্মক এপ্রিল-মে প্রাদুর্ভাবের চেয়ে ভালভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আরও বড় ধরণের ঢেউ ঠেকাতে দ্রুত টিকা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ভারত সরকারের অনুমান ১৩৫ কোটি মোট জনসংখ্যার ৬৭.৬% শরীরে ইতিমধ্যে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি রয়েছে। ৯৪ কোটি ৪০ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার প্রায় ৩৮% কমপক্ষে টিকার একটি ডোজ পেয়েছে। রোগের আনুমানিক প্রজনন হার গত সপ্তাহে বেড়েছে।

২৪শে জুলাই আর এর মান ছিল ১ হিট – অর্থাৎ গড়ে প্রতি ১০জন সংক্রমিত অন্য ১০জনকে সংক্রমিত করবে। মে মাসে যখন দৈনিক সংক্রমণ ৪,০০,০০০ ছিল তারপর প্রথমবার এই ‘আর’ এর মান এত কম।

সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাওয়াতে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালা বৃহস্পতিবার নতুন করে লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে । উত্তর -পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

রাজধানী নতুন দিল্লিসহ অন্যান্য স্থানে সম্প্রতি অধিকাংশ অর্থনৈতিক কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।

XS
SM
MD
LG