অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ভারতে মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ গ্রামাঞ্চলে প্রভাব ফেলছে


ভারতে করোনাভাইরাস মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ থেকে শুরু হওয়া স্বাস্থ্যসেবার সংকট বড় শহর থেকে ছোট শহর এবং গ্রামাঞ্চলে প্রভাব ফেলেছে। গ্রামাঞ্চলে ভাইরাস মোকাবেলায় দুর্বল চিকিৎসা অবকাঠামো মানুষকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্রামাঞ্চলে এর বিস্তারকে রোধ করা হবে ভারতের জন্য নতুন আরেকটি চ্যালেঞ্জ।

ভারতের উত্তরের বাসিন্দা মনোজ গুলিয়া জানিয়েছেন, হাসপাতালে বেডের অপ্রতুলতার কারণে যেসব ব্যক্তিদের শরীরে উপসর্গ রয়েছে তারা হাসপাতালে যান না। তিনি বলেন হরিয়ানা রাজ্যের দরিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দারা খবরে হাসপাতালের পরিস্থিতি দেখে ভয় পেয়েছেন - লোকেদের বিছানা ভাগাভাগি এবং অক্সিজেনের ঘাটতি এই মাসের শুরুর দিকে দেশের বেশ কয়েকটি বড় হাসপাতালগুলোকে মহাসঙ্কটে ঠেলে দেয়।

গুলিয়া বলেন, "আমাদের গ্রামে কোনও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই তাই রোগীরা যদি জ্বর নিয়ে আসে তবে তারা কেবল বাড়িতে থাকেন এবং আয়ুর্বেদিক ওষুধ সেবন করেন।" আয়ুর্বেদ একটি প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা পদ্ধতি যা আধুনিক ওষুধের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গ্রামে সংক্রমণের দ্রুত বিস্তার সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্স চলাকালীন তিনি বলেন, "ভারতের সব রাজ্য সরকারই এই ভাইরাসকে রোধ করার জন্য চেষ্টা করছে। "এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে গ্রামে মানুষের সচেতনতা এবং গ্রাম পরিচালন সংস্থাগুলির সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।"

গত বছর মহামারীর প্রথম ঢেউ এর সময় ভারতের গ্রামাঞ্চলের মানুষ রক্ষা পেয়েছিল। আরও বেশী সংক্রমণযোগ্য করোনাভাইরাসের ভারতীয় প্রকরণটিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে "উদ্বেগের বিষয়" হিসাবে আখ্যা দেয়া হয়। অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে এই প্রকরণটি ছড়িয়ে পড়লেও নয়াদিল্লি এবং মুম্বাইয়ের মতো বেশ কয়েকটি বড় শহরে সংক্রমণ ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে।

XS
SM
MD
LG